সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খোলা প্রতিপক্ষ ফুটবলারের ওপর রাগ কমছে না নেইমারের, পাল্টা বক্তব্য নেস্তরের রামুর রশিদ নগর ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার: চুরির ৯৬ লাখ টাকা ভাগ নেওয়ার অভিযোগ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে নিম্নচাপটি, কবে কোথায় আঘাত হিমছড়ি সমুদ্রে গোসলে নেমে তিন পর্যটক নিহতের ঘটনায় নিখোঁজ আরো একজনের মরদেহ উদ্ধার কৈলাশে ফিরে গেলেন মা দুর্গা: সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনে লাখো মানুষের ঢল হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ সৌদি আরবের মদিনা-পূর্বাঞ্চলে ৫টি ড্রোন ছুড়ল হুথিরা স্থানীয় নির্বাচন: বিদ্যমান আইনেই তফসিল, সুযোগ থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উখিয়া ও টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪

অভিশাপ পরিত্যাজ্য কাজ

হাফেজ আহমাদুল্লাহ:
প্রায়ই দেখা যায়, মানুষ পান থেকে চুন খসলেই নিজের আদরের সন্তানকে পর্যন্ত অভিশাপ দিয়ে বসেন। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। কারণ কখনো কখনো সত্যি সত্যিই মানুষের অভিশাপ কার্যকর হয়ে যায়। শুধু মানুষ নয়, কোনো জীবজন্তুকে অভিশাপ দিলেও তা অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর হয়ে যায়। তাই এ বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকা প্রয়োজন।

একজন মুমিন কখনো এ ধরনের আচরণ করতে পারেন না। হজরত আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুমিন কখনো দোষারোপকারী ও নিন্দাকারী হতে পারেন না, অভিসম্পাতকারী হতে পারেন না, অশ্লীল কাজ করেন না এবং কটুভাষীও হন না। -তিরমিজি : ১৯৭৭

সাধারণত রাগের মাথায় মানুষ এ ধরনের কাজ বেশি করে। অতিরিক্ত অভিশাপ দেওয়া কারও কারও অভ্যাসে পরিণত হয়। অথচ অন্যকে অভিশাপ দেওয়া হারাম। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা পরস্পর পরস্পরকে আল্লাহতায়ালার অভিসম্পাত, তার গজব ও জাহান্নামের বদদোয়া কোরো না। -তিরমিজি : ১৯৭৬

হজরত জায়েদ ইবনে আসলাম (রহ.) থেকে বর্ণিত, হজরত আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ান উম্মু দারদা (রা.)-এর কাছে তার নিজের পক্ষ থেকে সৌন্দর্যবর্ধক কিছু গৃহ সামগ্রী পাঠালেন। এক রাতে আবদুল মালেক নিদ্রা থেকে জেগে তার খাদেমকে ডাকলেন। সে তার কাছে আসতে দেরি করলে, তিনি তাকে অভিশাপ দিলেন। রাত শেষে উম্মু দারদা (রা.) তাকে বললেন, আমি শুনলাম যখন আপনি রাতে আপনার খাদেমকে ডেকেছিলেন তখন তাকে লানত (অভিশাপ) করেছেন। অতঃপর তিনি বললেন, আমি আবু দারদা (রা.)-কে বলতে শুনেছি যে, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অভিশাপকারীরা কেয়ামতের দিবসে সুপারিশকারী কিংবা সাক্ষ্যদাতা হতে পারবে না। – সহিহ মুসলিম : ২৫৯৮

বর্ণিত হাদিসের শিক্ষণীয় বিষয় হলো-

এক. অতি অভিশাপকারীরা এই দুনিয়াতে সাক্ষ্যপ্রদানকারী হতে পারবে না; কেননা তাদের সাক্ষ্য ইসলামি আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়; তাদের পাপ ও দুর্ব্যবহারের কারণে।

দুই. তারা (অতি অভিশাপকারীরা) আল্লাহর পথে পবিত্র জেহাদে শহীদ হওয়ার সুযোগ পাবে না।

তিন. তারা (অতি অভিশাপকারীরা) কেয়ামতের দিবসে ওই সময় সুপারিশকারী হতে পারবে না।চার. বর্ণিত হাদিসে অতি অভিশাপ করা থেকে কঠোরভাবে উম্মতকে সতর্ক করা হয়েছে; কেননা অতি অভিশাপের বিষয়টি সচ্চরিত্র এবং সুনীতি নয়।পাঁচ. ইসলাম একটি সৎকর্ম ও আল্লাহর আনুগত্যের কাজে সহযোগিতা এবং পরস্পর সহানুভূতিশীল হওয়ার ধর্ম, অভিশাপ কিংবা গালিগালাজের ধর্ম নয়।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION